বাংলাদেশের লোক সাহিত্যের, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য

আপনার জ্ঞানপিপাসু বন্ধুদের সাথে শেয়ার করে এই সম্পর্কে জানান

আপনার জন্য আরো লেখা



বাংলাদেশের লোক সাহিত্য

বাংলাদেশের লোক সাহিত্য বাংলা সাহিত্য, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। যদিও এর সৃষ্টি ঘটেছে অশিক্ষিত জনগোষ্ঠির মাধ্যমে এবং প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রসার ঘটেছে মৌখিকভাবে, তথাপি বাংলা সাহিত্যকে এ লোক সাহিত্য ব্যাপ্তি প্রদান করেছে, করেছে সমৃদ্ধ। পৃথক পৃথক ব্যক্তি-বিশেষের সৃষ্টি পরিণত হয়েছে জনগোষ্ঠির ঐতিহ্যে যার মাধ্যমে প্রকাশ ঘটেছে ভালোবাসা, আবেগ, অনুভূতি ও চিন্তা চেতনার।




ইতিহাস

৩০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে এই অঞ্চলে পর্যায়ক্রমে মৌর্য রাজবংশ, গুপ্ত রাজবংশ, পাল রাজবংশ, সেন রাজবংশ এবং মুসলিমদের আগমন ঘটেছে। এই অঞ্চলের মানুষ এদের জীবনযাত্রা এবং সংস্কৃতি দ্বারা প্রভাবিত হয়েছে। এরপর পর্তুগাল, ফ্রান্স, এবং ব্রিটিশদের জাহাজ এদেশের বন্দর এ নোঙর ফেলেছে। এরা পণ্যের পাশাপাশি সংস্কৃতিও এদেশে রেখে গেছে। প্রতিটি জাতি শুধু শারীরিকভাবে নয়, সংস্কৃতিরও সহায়তায় এদেশে নিজেদের ছাপ রেখে গেছে এবং এভাবেই এদেশের সংস্কৃতির ভিত রচিত হয়েছে।


বাংলা লোক সাহিত্যের সাধক

পল্লীর জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ লোক সাহিত্যে অবদান রেখেছেন। এদের একটি বড় অংশ লোক-কবি যাদের সাধারণত বয়াতি বলা হয়ে থাকে। প্রাচীন রাশিয়ার BAYAT শব্দ থেকে বয়াতি শব্দের উৎপত্তি।বাংলার মাঝিরা নৌকায় পাল তুলে মনের সুখে ভাটিয়ালি গান গায়। দেশের উত্তরাঞ্চলের গাড়োয়ান বা গরুর গারির চালক গাড়ি চালাতে চালাতে ভাওয়াইয়া গানের সুর তুলে। বাউলেরা একতারা বাজিয়ে তাঁদের তত্ত্ব তুলে ধরেন।

তাঁদের কীর্তি আমাদের সামনে তুলে ধরতে কিছু মানুষ অবিস্মরণীয় অবদান রেখেছেন। নেত্রকোনা জেলার আইথর নামক স্থানের অধিবাসী চন্দ্রকুমার দে মৈমনসিংহ গীতিকা সংগ্রহ করেন। ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন এই গানগুলো সম্পাদনা করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রকাশ করেন। পশ্চিমবঙ্গের আশুতোষ ভট্টাচার্য এবং বাংলাদেশের ড. মযহারুল ইসলাম সাম্প্রতিক সময়ে লোকসাহিত্য সম্পর্কে অনেক গবেষণামূলক গ্রন্থ প্রকাশ করেছেন।


মৌখিক সাহিত্য এবং এর প্রভাব

লোক সাহিত্য মূলত মৌখিক সাহিত্য। ফলে এধরণের সাহিত্য স্মৃতিসহায়ক কৌশল, ভাষার গঠনকাঠামো এবং শৈলীর উপরও নির্ভর করে। এদেশের লোক সাহিত্য সাহিত্যের বিভিন্ন শাখায় বিচরণ করছে। এগুলো হচ্ছে মহাকাব্য, কবিতা ও নাটক, লোক গল্প, প্রবাদ বাক্য, গীতি কাব্য প্রভৃতি। লোক সাহিত্যের এই সম্পদগুলো সাহিত্যের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে অথবা অন্য কোন উপায়ে এখনো এই অঞ্চলে টিকে রয়েছে। বহুবছর ধরে এদেশে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর বসবাস। বাংলাদেশের লোক সাহিত্য এই জাতিগোষ্ঠীগুলো দ্বারা গভীরভাবে প্রভাবিত। ফলশ্রুতিতে বর্তমান বাংলাদেশের বহুমুখী বৈচিত্র্যপূর্ণ বিশাল লোক সাহিত্যের একাংশের ব্যাখ্যায় ইতিহাসের প্রয়োজন পরে।


বিস্তৃতি

বাংলাদেশের লোক সাহিত্য লোক সাহিত্যের প্রচলিত সকল শাখায় নিজেকে বিস্তার করেছে। এগুলো হচ্ছে গল্প, সংগীত, ধাঁধা, প্রবাদ বাক্য, কুসংস্কার ও মিথ।


লোকগীতি

বাংলাদেশের সংগীত মূলত কাব্যধর্মী। এদেশীয় সংগীতে বাদ্যযন্ত্রের চেয়ে মৌখিক সুরের দক্ষতার উপর অধিক নির্ভরশীলতা লক্ষ করা যায়। লোকগীতিকে আমরা সাতটি শ্রেণীতে বিন্যস্ত করতে পারি। এগুলো হচ্ছেঃ প্রেম, ধর্মীয় বিষয়, দর্শন ও ভক্তি, কর্ম ও পরিশ্রম, পেশা ও জীবিকা, ব্যাঙ্গ ও কৌতুক এবং এসবের মিশ্রণ। অন্যদিকে এদেশীয় লোকসাহিত্যে আমরা গানের বিভিন্ন শাখা দেখতে পাই। এগুলো হচ্ছেঃ বাউল গান, ভাওয়াইয়া, ভাটিয়ালি, গম্ভীরা, কবিগান, জারিগান, সারিগান, ঘাটু গান,যাত্রা গান ,ঝুমুর গান, জাগের গান প্রভৃতি।


বাউল

বাউল শব্দটির উৎপত্তি নিয়ে মতান্তর রয়েছে।ইতিহাসবিদদের মতে, সতেরো শতকে বাংলাদেশে বাউল মতের উদ্ভব হয়। এ মতের প্রবর্তক হলেন আউল চাঁদ ও মাধববিবি। বীরভদ্র নামে এক বৈষ্ণব মহাজন সেই সময়ে একে জনপ্রিয় করে তোলেন। লালন সাঁইয়ের গানের মধ্য দিয়ে বাউল ব্যাপক পরিচতি লাভ করে। ২০০৫ সালে ইউনেস্কো বিশ্বের মৌখিক এবং দৃশ্যমান ঐতিহ্যসমূহের মাঝে বাউল গানকে অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্পদ হিসেবে ঘোষনা করে।


সিলেটের মরমী সাহিত্য

বাংলা সাহিত্যের প্রাচীন লোকঐতিহ্যের অনবদ্য ফসল মরমী সঙ্গীত বা মরমীবাদের গান। প্রাচীন লোকসাহিত্য বা লোকঐতিহ্যের একাংশের রুপান্তর মরমী সাহিত্য। উল্লেখ্য যে, মরমী সঙ্গীত ও বাউল গানকে অধুনা যুগে যদিও এক করে ভাব হয়, কিন্তু এর ইতিহাস সন্ধানি সৈয়দ মোস্তফা কামাল ও অন্যান্যদের কাছে এর ভাবধারায় ভিন্নতা রয়েছে বলে অভিমত পাওয়া যায়।


ভাওয়াইয়া

ভাওয়াইয়া গানের আকরভূমি রংপুর। বাংলাদেশের উত্তরাঞ্চলের নদী-নালা কম থাকায় গরুর গাড়িতে চলাচলের প্রচলন ছিল। আর গরুর গাড়ির গাড়োয়ান রাত্রে গাড়ি চলাবস্থায় বিরহ ভাবাবেগে কাতর হয়ে আপন মনে গান ধরে। উঁচু-নিচু রাস্তায় গাড়ির চাকা পড়লে তার গানের সুরে আধো-ভাঙ্গা বা ভাঁজ পড়ে। এই রকম সুরে ভাঙ্গা বা ভাঁজ পড়া গীতরীতিই 'ভাওয়াইয়া' গানে লক্ষণীয়। এসকল গানে স্থানীয় সংস্কৃতি, জনপদের জীবনযাত্রা, তাদের কর্মক্ষেত্র, পারিবারিক ঘটনাবলী ইত্যাদি পরিলক্ষিত হয়।


ভাটিয়ালি

ভাটিয়ালী বাংলাদেশের ভাটি অঞ্চলের জনপ্রিয় লোকগীতি। বিশেষ করে নদ-নদী পূর্ণ ময়মনসিংহ অঞ্চলের ব্রহ্মপুত্র নদের উত্তর-পূর্ব দিকের অঞ্চলগুলোতেই ভাটিয়ালী গানের মূল সৃষ্টি, চর্চাস্থল এবং সেখানে এ গানের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। বাউলদের মতে ভাটিয়ালী গান হলো তাদের প্রকৃতিতত্ত্ব ভাগের গান। ভাটিয়ালী গানের মূল বৈশিষ্টা হলো এ গানগুলো রচিত হয় মূলত মাঝি, নৌকা, দাড়, গুন ইত্যাদি বিষয়ে।


গম্ভীরা

বাংলাদেশের চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ও পশ্চিমবঙ্গের মালদহ অঞ্চলে গম্ভীরার প্রচলন রয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা অঞ্চলের গম্ভীরার মুখ্য চরিত্রে নানা-নাতি খুব জনপ্রিয়।সনাতন ধর্মালম্বীদের অন্যতম দেবতা শিব। শিবের অপর এক নাম‘গম্ভীর’। শিবের উৎসবে শিবের বন্দনা করে যে গান গাওয়া হত- সেই গানের নামই কালক্রমে হয়ে যায়‘গম্ভীরা’। শিব> গম্ভীর> গম্ভীরা। পালা-গম্ভীরায় অভিনয়ের মাধ্যমে এক একটা সমস্য তুলে ধরা হত। চৈত্র-সংক্রান্তিতে পালা-গম্ভীরা পরিবেশন করা হত।


কবিগান

কবিগান বাংলা লোকসংগীতের একটি বিশেষ ধারা। এই ধারায় লোককবিরা প্রতিযোগিতামূলক গানের আসরে অংশগ্রহণ করে থাকেন। কবিগান সাধারণত দুটি দলের দ্বারা গীত হয়। প্রত্যেকটি দলের নেতৃত্বে থাকেন একজন "কবিয়াল" বা "সরকার"। তাঁর সহকারী গায়কদের বলা হয় "দোহার"। এঁরা সাধারণত নেতার কথাগুলিই পুণরাবৃত্তি করেন।


জারিগান

জারি শব্দটির অর্থ বিলাপ বা ক্রন্দন। এ শব্দটির উৎস-মূল ফার্সি ভাষা। তবে, বাংলায় এসে শব্দটি অর্থ ব্যাপকতা লাভ করেছে। বাংলাদেশে মহররমের বিশেষ দিনে কারবালার শোকাবহ ঘটনা অবলম্বনে নৃত্যগীত সহকারে যে কাহিনী পরিবেশিত হয় তা সাধারণভাবে জারিগান বলে পরিচিত। ১৭শ শতক থেকে বাংলায় এই গানের ধারা প্রচলিত।


মৈমনসিংহ গীতিকা

ময়মনসিংহ অঞ্চলের প্রচলিত পালাগানগুলোকে একত্রে মৈমনসিংহ গীতিকা বলা হয়। এই গানগুলো প্রাচীন কাল থেকে মানুষের মুখে মুখে প্রচারিত হয়ে আসছে। তবে ১৯২৩-৩২ সালে ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন এই গানগুলো সম্পাদনা করে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় হতে প্রকাশ করেন। বর্তমান নেত্রকোনা জেলার আইথর নামক স্থানের আধিবাসী চন্দ্রকুমার দে এসব গাঁথা সংগ্রহ করছিলেন।


পূর্ববঙ্গ-গীতিকা

পূর্ববঙ্গ অঞ্চলের প্রচলিত লোকসাহিত্যকে একত্রে পূর্ববঙ্গ গীতিকা বলা হয়। প্রাচীন কাল থেকে মানুষের মুখে মুখে প্রচলিত হয়ে আসা পালাগুলি বাংলা সাহিত্যের অমূল্য সম্পদ। ১৯২৬ সালে ডক্টর দীনেশচন্দ্র সেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ সাহায্যে পালাগুলো সম্পাদনা করে প্রকাশ করেন। পরে ১৯৭১-১৯৭৫ সালে ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক ও সাত খন্ডে প্রাচীন পূর্ববঙ্গ গীতিকা প্রকাশ করেন।


সিলেট গীতিকা

সিলেটের লোকমানুষের রচিত মৌখিক কেচ্ছা, কাহিনী, যাত্রা-পালা ইত্যাদি লোকভাণ্ডারকে এক সাথে সিলেট গীতিকা হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। সিলেট অঞ্চলের প্রাচীন লোকমানুষের দৈনন্দিন জীবনধারা, আদিবাসী মানুষের জীবন-জীবিকা, সামন্ততান্ত্রিক শাসন প্রণালী, গ্রামীণ লোকচার, আবেগ অনুভূতি, প্রেম-বিরহ, যুদ্ধ-বিগ্রহ এবং মানবিকতা সম্মেলিত গাঁথাকেই সিলেট গীতিকার উত্স বলে ধরা হয়। অধ্যাপক আসদ্দর আলীর পদত্ত তালিকা অনুসারে ১২০টি লোকগাথাকে সিলেট গীতিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে এছাড়া গোলাম আকবর চৌধুরী ১৯৬৮ সালে বাংলা একাডেমী থেকে ১০ টি গীতিকা নির্বাচন করে একত্রে সিলেট গীতিকা নাম দিয়ে প্রকাশ করেন।


লোকগল্প

লোকগল্প হচ্ছে সেসমস্ত গল্প মানুষের মুখে মুখে প্রজন্মের পর প্রজন্ম পাড়ি দিচ্ছে। এগুলো গদ্য আকারে রচিত এবং সরল কিংবা জটিল হতে পারে। বিষয়, অর্থ এবং গঠনের উপর ভিত্তি করে লোকগল্প হতে পারে রূপকথা, মিথ, অ্যাডভেঞ্চার গল্প, বীরত্বের গল্প, ঐতিহাসিক গল্প, মনীষীদের গল্প। এদেশীয় গল্পের চরিত্রগুলো মূলত ভাগ্যনির্ভর এবং গল্পগুলোতে জ্ঞান, বুদ্ধির বদলে জাদুকরী শক্তির প্রাধান্য দেখা যায়।


মন্তব্য

নাম

অর্থনীতির হিসাব-নিকাশ,3,আমাদের পরিবেশ,2,ইংরেজীকে সহজ করে ভাবুন,1,খাবার-পুষ্টি ও স্বাস্থ,2,গুগলের সাথে কিছুক্ষন,1,চলুন না ! ঐ দিকটায় একটু ডু মেরে আসি,1,প্রেজেন্টেশনের ময়না তদন্ত,3,বাংলা-বাঙালীর সাহিত্য,11,বাঙালী ও বাংলাদেশ,29,বি সি এস-ই স্বপ্ন,9,বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি,10,বিশ্ব যোগাযোগ,2,ব্যাংকিং পেশা IS PASSION,3,CV নিয়ে অল্প স্বল্প,2,Viva সমাচার,4,
ltr
item
ইচ্ছে: বাংলাদেশের লোক সাহিত্যের, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য
বাংলাদেশের লোক সাহিত্যের, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য
বাংলাদেশের লোক সাহিত্যের, কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য
https://3.bp.blogspot.com/-hRG7bj4Xqp4/WhKivNlRZQI/AAAAAAAAAeg/D6uiJwZNiNIkKgshERpEL9EcJcZlzLPTgCPcBGAYYCw/s320/190613_196.jpg
https://3.bp.blogspot.com/-hRG7bj4Xqp4/WhKivNlRZQI/AAAAAAAAAeg/D6uiJwZNiNIkKgshERpEL9EcJcZlzLPTgCPcBGAYYCw/s72-c/190613_196.jpg
ইচ্ছে
https://blog.aamaricche.com/2017/11/the-folk-literature-of-bangladeshi.html
https://blog.aamaricche.com/
https://blog.aamaricche.com/
https://blog.aamaricche.com/2017/11/the-folk-literature-of-bangladeshi.html
true
4366569560520032408
UTF-8
সবগুলি লেখা দেখুন কোনো লেখা খুঁজে পাওয়া যায় নি ! সব দেখতে আরো পড়ুন মন্তব্য মন্তব্য বাতিল করুন মুছুন দ্বারা হোম বাকি অংশটুকু পোস্ট সব দেখতে আপনার জন্য আরো লেখা সহজেই খুঁজুন ইচ্ছে আর্কাইভ খুঁজুন সবগুলি লেখা দুঃখিত ! আপনার ইচ্ছেটা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। কিছুক্ষন পর আবার চেষ্টা করুন। অথবা ইচ্ছে তে যান রবিবার সোমবার মঙ্গলবার বুধবার বৃহস্পতিবার শুক্রবার শনিবার রবিবার সোমবার মঙ্গলবার বুধবার বৃহস্পতিবার শুক্রবার শনিবার জানুয়ারি ফেব্রুয়ারী মার্চ এপ্রিল মে জুন জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বর অক্টোবর নভেম্বর ডিসেম্বর জানুয়ারি ফেব্রুয়ারী মার্চ এপ্রিল মে জুন জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বর অক্টোবর নভেম্বর ডিসেম্বর এই মাত্র ১ মিনিট আগে $$1$$ মিনিট আগে ১ ঘন্টা আগে $$1$$ ঘন্টা আগে গতকাল $$1$$ দিন আগে $$1$$ সপ্তাহ আগে ৫ সপ্তাহ এর বেশি আগে ফোলোয়ার ফোলো অবশিষ্টাংশ প্রিমিয়াম সম্পূর্ণ পোস্ট দেখতে Facebook এ শেয়ার করে Like করুন সবগুলি কোড কপি করতে সবগুলি কোড সিলেক্ট করতে সবগুলি কোড কপি হয়েছে আপনার ক্লিপ বোর্ডে Can not copy the codes / texts, please press [CTRL]+[C] (or CMD+C with Mac) to copy